আমজাদ হোসেন নওগাঁ।নওগাঁর মান্দা উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ছয়টি মৎস অভয়আশ্রম থাকলেও দেখভালের অভাবে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে মৎস আশ্রমগুলো। মৎস্য অভয় আশ্রম গুলোতে সরকারি বরাদ্দের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঠিকভাবে ব্যবহার না করার কারণেই বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদী ও অভয়াশ্রমের মাছ অবৈধ মাছ শিকারিদের হাতে। নদীর ধারে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীতে ও অভয়াশ্রম গুলোতে মৎস্য শিকারিদের নিয়মিত ভ্রাম্যমান পরিচালনা না করার কারণে, অবৈধ মাছ শিকারীদের মাছ ধরার মহোৎসব হয়ে উঠেছে এই অভয়াশ্রম গুলোতে, নদীর তীরবর্তী এলাকার একাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে জানতে চাইলে তারা বলেন উপজেলার মৎস্য অফিসারের যোগসাজশে অবৈধ মাছ শিকারীরা মাছ শিকার করার সুযোগ পাচ্ছে। দিনের পর দিন এতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীর ও অভয়াশ্রমের বিভিন্ন প্রজাতির মা মাছগুলো।
অফিস সূত্রে জানা যায় এ সকল মৎস্য অভয়াশ্রমের জন্য এডিপির বরাদ্দের সিসি ক্যামেরা, লাইট, প্রত্যেকটি অভয় আশ্রমে দুইটি করে স্ট্রিক লাইট দেওয়ার কথা থাকলোও মাত্র একটি অভয়াশ্রমে একটি স্টিক লাইট এর দেখা মিলেছে, আবার প্রতিটি অভয়াশ্রমে মাছ রক্ষা করার জন্য কাঁটা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটা করা হয়নি, প্রতিটা অভয়াশ্রম দেখভালের জন্য লোকবল পাহারা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি নেই। মাছ নিরাপদে থাকার জন্য প্রতিটা আশ্রমে ব্লক ও কাঠা দেওয়ার কথা থাকলেও সেটি দেওয়া হয়নি এবং অভয়াশ্রমের চারপাশে আলোর ব্যবস্থা করার কথা থাকলেও সেটিরও কোন ব্যবস্থা করা হয়নি, ফলে অবৈধ মাছ শিকারীরা রাত এবং দিনে মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে এই সকল মাছ নিধন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন সর্বস্তরের মানুষ।
এ বিষয়ে মান্দা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পালের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মৎস্য অভায়আশ্রমের একটি মাত্র অভয় আসলামের সরকারি বরাদ্দ পেয়েছি সেটির কাজ চলমান আছে। তবে আমরা নতুন করে ঘুল হারিয়া মৎস্য অভয় আশ্রম সংস্কার করবো আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে।
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।