1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ১১:২১ অপরাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
লুন্ঠিত অস্ত্র-গোলাবারুদ সহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার – কেএমপি তেরখাদার বারাসাত এলাকার পরিবেশ  শান্ত হলেও কাটেনি আতংক, আশংকা এবং উদ্বেগ শীর্ষ স/ন্ত্রা/সী গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে যৌথবাহিনীর অভিযান : অ/স্ত্র উ/দ্ধা/র, আটক ৩ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের চতুর্থ দিবসে আন্দোলন সংগ্রামে গুম-খুন, প্রয়াত নেতৃবৃন্দও অসুস্হ্য নেতা কমী’দের পরিবারের সাথে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় – সাবেক সংসদ নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনায় চাঁদ রাতে ঈদ আনন্দ মিছিল টাইফুন শিল্পী গোষ্ঠীর কয়রায় নিরাপদ অভিবাসন ও মানব সম্পদ উন্নয়ন নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা ফুলতলায় ইউপি চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে বোমা হামলা নগরীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু খুলনার বড় বাজারের পরিত্যক্ত ভবন (সোহাগ হোটেল) আগুন যশোরে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা বাবা ও দুই শিশুকন্যা নিহত বাসে আগুন নড়াইলে আদর্শ সম্মিলনী উচ্চ বিদ্যাপীঠ এর দুইদিনব্যাপী ৫০ বছর পূর্তি  উৎসব পালিত লোহাগড়ায় নাশকতার মামলার আসামি আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি খোকন চৌধুরী গ্রেফতার  কয়রায় মানব সম্পদ উন্নয়ন ও নিরাপদ অভিবাসন প্রেক্ষিত জাপান শীর্ষক মতবিনিময় সভা নৌবাহিনী ও কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযানে টেকনাফে দেশীয় অস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ জব্দ সাতক্ষীরায় প্লাবিত এলাকায় নৌ বাহিনীর জরুরি ত্রাণ ও মেডিকেল সহায়তা প্রদান লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা উপর হামলা আওয়ামী লীগের কর্মীরা প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল  কেশবপুরের নিজ এলাকা উন্নয়নে কাজ করে যেতে চাই/এস এম রাশিদুল ইসলাম ভেসে গেছে ঈদের আনন্দ,আবার ভেঙেছে উকূলের বাঁধ খুলনা জেলার খানজাহান আলী থানা এলাকায় ঈদের নামাজ শেষে সংঘর্ষের ঘটনা মোংলায় নবনিযুক্ত সহকারি অ্যাটর্ণি জেনারেল মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের নাগরিক সংবর্ধনা

বাগেরহাটে গ্রীষ্মের বিদায় এসেছে শীত,রস সংগ্রহে ব্যাস্ত সময় পার করছে গাছিরা

  • প্রকাশিত : বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৩
  • ২৪৩ বার শেয়ার হয়েছে
A-tree-is-collecting-sap-from-a-date-palm-tree-in-a-flower-shop

অতনু চৌধুরী রাজু বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি || গ্রীস্মের বিদায় জানিয়ে শীত এসেছে।শুরু হয়েছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যের প্রতীক খেজুর গাছ তোলার কাজ।সারা দেশের ন্যায় তাই যেন দক্ষিণ জনপদের বাগেরহাট জেলার প্রতিটিটা এলাকার গাছিরাও বসে নেই,তারা প্রতিটি মুহূর্ত রস সংগ্রহের কাজে ব্যাস্ত রয়েছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,বাগেরহাট জেলার প্রতিটিটা এলাকায় বর্তমানে মাছে সমৃদ্ধশালী।ফসলী জমির সিংহভাগ এখন মাছ চাষীদের দখলে।এক সময় এলাকায় লক্ষ – লক্ষ খেজুর গাছ থাকলেও আজ তার সংখ্যা অনেকটা কম,তার পরেও যে একেবারে কম তা ঠিক নয়।যে গাছগুলো রয়েছে সেগুলোর পরিচর্যা করতেই যেন হিমশিম খাচ্ছেন গাছিরা।যারা গাছ কাটে তাদের বলা হয় গাছি।খেজুর গাছের অগ্রভাগের একটি নির্দিষ্ট অংশ চিরে বিশেষ ব্যবস্থায় ছোট কলসি (ভাড়/ঠিলে) বাঁধা হয়।ফোঁটায় ফোঁটায় রসে পূর্ণ হয় সে কলসি।তাই খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহে গাছ তোলা কাটাসহ বিভিন্ন রকমের পরিচর্যায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন গাছিরা।ছোট বড় বিভিন্ন রকমের খেজুর গাছে অত্যান্ত ঝুঁকি নিয়েই তোলা কাটা করতে হয়। কোমরে মোটা রশি বেঁধে গাছে ঝুলে গাছ তোলার কাজ করতে হয়।খেজুর গাছের চাহিদাটা ইট ভাটায় বেশী ও ফসলী জমির একটা মোটাংশ লীজ ঘের হওয়ায় বর্তমানে খেজুর গাছের সংখ্যা অনেকাংশে কম।তাই যেন খেজুর গাছে বিলুপ্তির সুর বাজছে। তাই আগের মতো মাঠও নেই,নেই সারি – সারি এই খেজুর গাছও। তারপরও গ্রামের মাঠে আর গ্রাম্য মেঠো পথের ধারে কতক গাছ দাঁড়িয়ে আছে কালের স্বাক্ষী হয়ে।অনুসন্ধানে দেখা যায়,আমাদের গ্রাম বাংলায় অতীতে খেজুর রসের যে সুখ্যাতি ছিল তা ক্রমেই কমে যাচ্ছে।খেজুরের রস শীতের সকালে বসে মুড়ি মিশিয়ে গ্লাস ভরে খেতে বেশ মজা লাগে।সন্ধ্যা রস আরো মজাদার।বেশ লোভণীয় নলেন পাটালি ও গুড়।খেজুর গুড় বাঙালীর সংস্কৃতির একটা অঙ্গ।ক’দিন পরেই প্রতিটি ঘরে খেজুরের রস দিয়ে পিঠা পুলি পায়েস তৈরীর ধূম পড়বে।ঢেঁকি ঘরে চাল কুটার ধুম পড়ে যাবে,শোনা যাবে ঢেকির ঢক ঢক শব্দ।মুড়ি,চিড়া, পিঠা খাওয়া কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সবার বাছে বেশ প্রিয়।এসব আশা নিয়ে শীত মৌসুমে গাছ কাটার কাজে গাছিদের বেশ ব্যস্ত সময় পার হয়।দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েক হাজার গাছির সারা বছরের রুজিরুটির নির্ভর করে এ পেশার উপর।

এ বিষয়ে মোংলা উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের দওেরমেঠ এলাকার গাছি অশোক মন্ডল খুলনার খবর’কে বলেন, শীত আসা মাত্রই আমরা খেজুর গাছ ছিলানোর জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লেগেই আছি।

এ বিষয়ে রামপাল উপজেলার ফুলপুকুর এলাকার গাছি প্ররিমল মন্ডল খুলনার খবর’কে বলেন,আমরা পাঁচ মাস খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে তা জ্বালিয়ে গুড় বানিয়ে বাজারে বিক্রি করে বেশ আর্থিক সচ্ছলতা আসে আমাদের।খেজুর গাছ তোলার মৌসুম এলে তাদের মুখে ফুটে ওঠে হাসি। নিজেদের প্রয়োজনীয় খাবারের চাহিদা মিটিয়ে বাকিটা বিক্রি করে যে অর্থ পায় তা দিয়ে চলে পুরো বছর। এখনো শীত জেঁকে না বসলেও গাছিরা গাছ কাটার জন্য দা তৈরী, ঠুঙি,দড়ি ও মাটির কলস (ভাড়/ঠিলে) কেনার কাজ সেরে নিচ্ছেন।আগের মতো খেজুর গাছ আর নেই।এরপরও গাছিরা তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।