1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি/বিজ্ঞাপন
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) নীচতলা,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই গাবুরার সচেতন নাগরিক সমাজ কর্তৃক জনপ্রতিনিধির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ স্বেচ্ছাসেবক দলের আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত তেরখাদায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম উপলক্ষে ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান যশোরের কেশবপুরে আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর দাওয়াত ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে – ডা. আব্দুল্লাহ মু. তাহের নওগাঁয় উত্তরা ডিগ্রি কলেজে ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সমাবেশে সংবাদ সম্মেলন কয়রায় নৌকায় ৬২ কেজি হরিণের মাংস ফেলে পালাল চোরা শিকারিরা কেশবপুরের পাঁজিয়ায় ৪ দিনব্যাপী বইমেলার শুভ উদ্বোধন গাজীরহাট ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত  সুন্দর বাংলা হাতের লেখা’ প্রতিযোগিতা, কেএমপিতে শিশু-কিশোরদের মিলনমেলা খুলনায় আয়রন প্যারাডাইস জিম বডি বিল্ডিং চ্যাম্পিয়নশিপ -২০২৫ রক্তাক্ত কুয়েট’ প্রদর্শনীতে ফুটে উঠেছে হামলার চিত্র চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে – পুলিশ কমিশনার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পুলিশ কমিশনার এর শ্রদ্ধা নিবেদন তেরখাদায় মহান শহীদ দিবস ও আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন কয়রায় বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি, চলাচলে দুর্ভোগ লাখো মুসল্লীর কান্না ও আমীন ধ্বনিতে চরমোনাই’র তিন দিনব্যাপী মাহফিল শেষ হলো শার্শায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায়  উদযাপন

নিষেধাজ্ঞার আগেই মাইকিং করে ইলিশ বিক্রির ধুম

  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৩৬ বার শেয়ার হয়েছে

ইমরুল ইসলাম ইমন,খুলনা প্রতিনিধি || একটু পরেই নিষেধাজ্ঞ প্রজ্ঞাপন/ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশের মতো, খুলনায় মাইকিং করে ইলিশ বিক্রি,দাম শুনে হতাশ ক্রেতারা মধ্যরাত থেকে ইলিশ আহরণ,বাজারজাতকরণ,পরিবহন ও মজুতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ হচ্ছে। তাই শেষ মুহূর্তে খুলনায় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে মাইকিং করে। বাজারে অন্যান্য দিনের চেয়ে ইলিশের সরবরাহ বেশি থাকলেও কমেনি দাম। মাইকিং শুনে ক্রেতারা এগিয়ে আসলেও দাম শুনে কেউ কেউ ফিরছেন খালি হাতে। আবার অনেকেই ফিরছেন অন্যান্য মাছ নিয়ে।

মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে,শনিবার ১২ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে আগামী ০৩ রা নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ সংরক্ষণে ইলিশ আহরণ,পরিবহন,বাজারজাতকরণ,মজুদে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সরকার। তাই ভোজন ভিলাসী মানুষ শেষ মুহূর্তে ইলিশের স্বাদ নিতে খুলনার বাজারগুলোতে ভিড় করছেন। যাদের সামর্থ্য আছে তারা কিনছেন। আবার অনেকেই দাম বেশি হওয়ায় ইলিশ মাছ না কিনেই খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার ইলিশের স্বাদ অন্য মাছে মেটাচ্ছেন।

নগরীর ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারের মাছ ব্যবসায়ী বাপ্পি বলেন, ভারতে এলসি বন্ধ। বাজারে ইলিশের আমদানি বেশি। তাই গত কয়েকদিনের তুলনায় মাছের দাম কেজিতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা কম। দেড় কেজি সাইজের ইলিশ ২৪০০ থেকে ২৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ১ কেজি সাইজের ইলিশ ১৭০০ থেকে ১৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রাম সাইজের প্রতি কেজি ইলিশ ১২০০ থেকে ১৬০০ টাকা এবং জাটকা ইলিশ ৫০০ থেকে ৬০০, থেকে ৭০০ টাকায় বিক্রি করছি।
ইলিশ বিক্রেতা বাপ্পি ইসলাম বলেন, শেষ মুহূর্তে এলসি বন্ধ থাকায় আজ খুলনার বিক্রেতারা কিছু ইলিশ পেয়েছে। ইলিশের আমদানি বেশি হলে ও দাম কমেনি। অনেকেই ইলিশ কিনতে দোকানে ভিড় করছেন, কিন্তু সাধ থাকলেও দাম সাধ্যের বাইরে থাকায় অনেকেই কিনছেন অন্য মাছ।
বাজারের বাইরের সড়কে ফুটপাতে মাছ বিক্রেতা আক্তার মোল্লা ফরিদ বলেন, বড় মাছের দাম অনেক। অনেকের ছোট মাছের দিকে ঝোঁক বেশি।

নগরীর বসুপাড়ার বাসিন্দা এস এম আকবর আহমেদ বলেন, বিক্রেতাদের মাইকিং শুনে বাজারে এসেছি। ব্যবসায়ীরা বড় ইলিশ ৫০০ টাকা করে বললেও কাছে গিয়ে দেখা যায় মাছের আকার ছোট। আধাঘণ্টা ধরে বাজারে ঘুরে দুই কেজি মাছ কিনেছি। গত মাসে ১ কেজি সাইজের মাছ ১৬০০ টাকায় কিনেছি, কিন্তু আজ সেই একই সাইজের ইলিশ ১৮০০ থেকে
২০০০টাকায় বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।

তিনি বলেন,দেশের মানুষ দেশের মাছ খাবে, কিন্তু দাম বেশি হওয়ার কারণে আজ অনেকের নাগালের বাইরে চলে গেছে ইলিশ। তাই অন্য মাছ কিনে দুধের সাধ ঘোলে মিটাচ্ছি।

বাজারে ইলিশ কিনতে আসা সোনাডাঙ্গার বাসিন্দা কাজী সারোয়ার বলেন, মাছের দাম চড়া। তিনটি ইলিশের ওজন এক কেজি। এক কেজি ইলিশ ১৮০০ টাকা দরে কিনেছি। শুনলাম ভারতে এলসি বন্ধ, তাই দাম কম ভেবে মাছ কিনতে ময়লাপোতা সান্ধ্য বাজারে এসেছি। কিন্তু এসে দেখি ভিন্ন অবস্থা। সরকার ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন। এই জিম্মিদশা থেকে বের হতে না পারলে কোনোভাবে কোনো কিছুর দাম কমানো যাবে না।একই অবস্থা লক্ষ্য করা গেল, রূপসা বাজার,মায়লাপোতা সন্ধ্যা বাজার, নিরালা বাজার, গল্লামারি বাজার, থানার মোড়, নিউমার্কেট বাজারে কিছু অংশ।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।