জাহিদুল ইসলাম, কয়রা(খুলনা) প্রতিনিধি|| খুলনা জেলার উপকূলীয় অঞ্চল চারিদিকে লোনাপানি বেষ্টুনী কয়রা উপজেলার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই এমনটি অভিযোগ এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষের।
এই উপজেলা টি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালে উপজেলা টিতে বর্তমান জনসংখ্যা (১৯৩৯৩১)জন মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান ও আদিবাসীরা বসবাস করে। জেলা থেকে উপজেলা ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এখান কার বেশির ভাগ জনগোষ্ঠী দরিদ্র সিমার নিচে বসবাস করে। এখানে তেমন কোনো কর্মসংস্থান না থাকায় সাগর, নদী ও সুন্দরবনে মাছ, কাঁকড়া, গোলপাতা, মধু সংগ্রহ করে জীবন জীবীকা নির্বাহ করে থাকে।
বর্তমানে সুন্দরবনে বনদস্যুর তৎপরতা বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে এ সমস্ত মানুষের। গ্রীষ্মের তাপমাত্রা বেড়ে গেলে টিউব অয়েল ও পুকুরের পানি পাওয়া যায়না বিশুদ্ধ খাবার পানির তিব্র সংকট দেখা দেয় এ অঞ্চলে। খুলনা থেকে কয়রায় প্রবেশ করার একমাত্র রাস্তাটি সংস্কার করতে, করতে রেখে দিয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মোজাহার এন্টারপ্রাইজ প্রকল্পের বরাদ্দ ধরা হয়(৩৭৯)কোটি ৪৮ লাখ টাকা। সড়ক ও জনপদ বিভাগের রাস্তার কাজ দৃশ্যমান না হলেও ঠিকাদার মোজাহার এন্টারপ্রাইজ ১৭৮ কোটি টাকা তুলে নিয়ে কাজ বন্ধ রেখেছে।
প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দা দের, স্থানীয় বাসিন্দা মুহাঃমিজানুর রহমান বলেন, বহুদিন যাবত রাস্তাটি খুড়ে কিছু জায়গা সংস্কার করছে আর কিছু জায়গা খুড়ে রেখেছে একটু রৈদ্রু উঠলে রাস্তার ধুলা,বালি উড়ছে দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। কয়রা সদর ইউনিয়নের স্থানীয় সরকার(এলজি ইডি) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন ৫ টি রাস্তা গোবরা খেয়াঘাট থেকে জামাত মোড় পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের জন্য খোয়া দিয়ে চেপে থুয়ে চলে গেছে ঠিকাদার, হাইস্কুল মোড় থেকে ৪ নং কয়রা লঞ্চ ঘাট অভিমুখে সড়ক টি ২০২০ সালের ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুনারায় সংস্কার কাজ শুরু হলেও শেষ না করে বালু, খোয়া ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার খবর নিয়ে জানা গেছে রাস্তা টি সংস্কার কাজের ঠিকাদার ছিলো রাকা এন্টারপ্রাইজ বরাদ্দ (১কোটি ২৩ লাখ টাকা) স্থানীয় বাসিন্দা ও এলজিইডি সুত্রে জানা গেছে কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ শেষ হয়নি।
রাস্তা টি দিয়ে চলতে জেনো দম বন্দ হয়ে যাচ্ছে। শাকবাড়িয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬ নং কয়রা টেপা খালি অভিমুখী রাস্তার সংস্কার কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের শেষের দিকে কাজের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ হয়নি রাস্তায় খোয়া, বালু ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার সংস্কার কাজের ব্যায় ধরা হয়েছে ৮১ লাখ ৯৪ হাজার ৭২ টাকা। হাবিবুর রহমানের দোকান হয়তে-মাঝের আইট বিসি নলপাড়া (০০-১৫০০মিটার) নির্মাণ কাজের ব্যায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৩৮ হাজার ৪৬ টাকা। স্থানীয়রা জানান ৩ মাসের বেশি সময় ধরে খোয়া ফেলে চলে গেছে ঠিকাদার একটু বাতাস হলে বাড়ি ঘর সব বালুতে ভরে যায় রান্না করা খাবার ও খাওয়া যায়না বালুর কারণে। এছাড়া দক্ষিণ বেদকাশি যাওয়ার দুটি পথ শাকবাড়িয়া নদীর বেড়িবাঁধ ও কপোতাক্ষ নদীর বেড়িবাঁধের উপর দিয়ে প্রবেশ করতে হয় বর্তমান সময় এসে টেকসই বেড়িবাঁধের কাজ চলছে তবে বর্ষা মৌসুম আশার আগে কাজ শেষ হবেনা বলে সংখ্যা প্রকাশ করছে স্থানীয়রা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বলছে আমরা দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি।
ঐ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ইটের সলিং রাস্তা আছে বটে রাস্তায় ইট নেই বৃষ্টি নামলেই কাঁদা পানিতে একাকার হয়ে যাবে। এসব সাধারণ মানুষের দাবি যত দূরত্ব সম্ভব বেড়িবাঁধ ও রাস্তা নির্মাণ সংস্কার কাজ শেষ করা হোক।
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।