মোঃ জসিম উদ্দিন তুহিন,যশোর জেলা প্রতিনিধি।।যশোরে বছরের শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত ধর্ষক সোহাগের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে গ্রামবাসী।শহরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে অবশেষে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন বহু মানুষ।সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত সোহাগ ও তার পরিবারের সদস্যরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এমনকি দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।
গত ৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ওই শিশুটি এলাকার মুদি দোকানদার সোহাগের দোকানে সেন্টার ফ্রুট’ কিনতে গিয়েছিল। অভিযোগ, এই সুযোগে সোহাগ শিশুটির মুখ চেপে ধরে দোকানের পাশে থাকা গোডাউনে নিয়ে যায় এবং গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে।সোমবার বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত সোহাগ দ্রুত এলাকা থেকে পালিয়ে যায়। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার এ ঘটনায় মামলা করে। বর্তমানে অভিযুক্ত সোহাগ অধরাই রয়েছেন, তবে তার আটকের দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে যশোর কোতোয়ালী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী বাবুল বলেন,মামলাটি রেকর্ড করেছি। অভিযুক্ত আসামি সোহাগকে দ্রুত আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।যশোরে বছরের শিশু ধর্ষণের প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত ধর্ষক সোহাগের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে গ্রামবাসী। বুধবার দুপুরে তারা শহরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে অবশেষে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে এসে শেষ হয়। সেখানে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন বহু মানুষ।সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, অভিযুক্ত সোহাগ ও তার পরিবারের সদস্যরা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত হুমকি-ধামকি দিচ্ছেন। এমনকি ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।গত ৩ ডিসেম্বর সকাল ১০টার দিকে ওই শিশুটি এলাকার মুদি দোকানদার সোহাগের দোকানে ‘সেন্টার ফ্রুট’ কিনতে গিয়েছিল। অভিযোগ, এই সুযোগে সোহাগ শিশুটির মুখ চেপে ধরে দোকানের পাশে থাকা গোডাউনে নিয়ে যায় এবং গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে।সোমবার বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত সোহাগ দ্রুত এলাকা থেকে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার এ ঘটনায় মামলা করে। বর্তমানে অভিযুক্ত সোহাগ অধরাই রয়েছেন, তবে তার আটকের দাবিতে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে কোতোয়ালি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী বাবুল বলেন,মামলাটি রেকর্ড করেছি। অভিযুক্ত আসামি সোহাগকে দ্রুত আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।