সাগর কুমার বাড়ই ,তেরখাদা প্রতিনিধি , খুলনা।।খুলনার তেরখাদা সদরসহ উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকায় অনুমোদনবিহীনভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য কাঠ চিরাই করা স’ মিল।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই কিছু প্রভাবশালী ও সুযোগসন্ধানী মহল এসব স’ মিল স্থাপন করায় দিনদিন বাড়ছে জনদুর্ভোগ ও নিরাপত্তাহীনতা।স্থানীয়দের অভিযোগ-অনেক স’ মিল সড়কের গা ঘেঁষে স্থাপন করা হয়েছে। মিলগুলোতে বড় বড় কাঠের গুড়ি সড়কের ওপর ফেলে রাখায় পথচারী ও যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে প্রায়ই ঘটে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই।
আরও অভিযোগ রয়েছে, এসব স’ মিলে চলছে নানা অনিয়ম ও অবৈধ কার্যক্রম। বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, একটি চক্র সড়কের পাশের সরকারি গাছ কেটে তা কয়েকদিন আশপাশে ফেলে রাখে।
সুযোগ সন্ধানীরা পরে সেগুলো চোরাই পথে এই অনুমোদনহীন স’ মিলগুলোতে এনে চিরাই করে বিভিন্ন স্থানে/ বাজারে বিক্রি করা হয়।
এসব স’ মিলের অধিকাংশেরই কোনো বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি অনুমোদন নেই।
নিয়মকানুন তো দূরের কথা। সরকারি রাজস্বও ফাঁকি দিয়ে বছরের পর বছর চলছে স’ মিলের কাঠ চিরাই ব্যবসা।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এসব স’ মিলে দক্ষ কারিগরের পরিবর্তে অদক্ষ শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হয়, যার ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে।মিলের ভেতর এবং আশপাশে শ্রমিকদের নিরাপত্তার কোনো ব্যবস্থা নেই। যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে।
স্থানীয়দের মতে, দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে আইন থাকলেও এসব প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ হয় না বললেই চলে। তারা মনে করেন, মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হলে এসব অবৈধ স’ মিলের দৌরাত্ম্য অনেকটাই কমে আসত এবং পরিবেশ ও জনজীবন কিছুটা হলেও স্বস্তি পেত।অবৈধ স’ মিলের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।