1. info@www.khulnarkhobor.com : khulnarkhobor :
যাদের জন্য ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারাই ধাক্কা মারল : রুমিন ফারহানা - Khulnar Khobor
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:০৫ পূর্বাহ্ন
বিজ্ঞপ্তি
Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com    বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৪৭,আপার যশোর রোড (সঙ্গীতা হোটেল ভবন) ,খুলনা-৯১০০।ফোন:০১৭১০-২৪০৭৮৫,০১৭২১-৪২৮১৩৫। মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:- ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
খুলনার খবর
নেভি ইনস্টিটিউট অব হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টের উদ্বোধন সমাজসেবা অনুদানের নামে প্রতারণার ফাঁদ বাঘারপাড়ায় দুই ভুয়া দালাল আটক যশো‌রে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই রো‌হিঙ্গা নারী আটক দালাল নয়, সরাসরি থানায় এসে পুলিশের সেবা নিন-এএসপি রেফাতুল ইসলাম। নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত মোল্লাহাটে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু জাতির অভিভাবক ছিলেন অনিন্দ্য ইসলাম খুলনার দিঘলিয়ায় গণভোট ২০২৬ বিষয়ক জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নওগাঁ ‎মান্দায় রাস্তা নির্মাণে অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের পর দায়সারা বিটুমিন স্প্রে  পাইকগাছায় ঋন পরিশোধ হলেও আমানতের চেক ফেরৎ না দিয়ে প্রতারনা অতঃপর লিগ্যাল নোটিশ  দিঘলিয়ায় প্রতারক চক্রের হুমকি: সাংবাদিক কিশোর কুমারকে জীবননাশের হুমকি। বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় যশোরে দোয়া মাহফিল যশোর মনিরামপুরে মাদক নিয়ে বিরোধে চালককে কুপিয়ে জখম সুন্দরবনে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের অভিযান, ১০০’কেজি হরিণের মাংস’সহ ৪’হাজার মিটার ফাঁদ জব্দ। কেশবপুরে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত খুলনার দিঘলিয়ায় উপজেলা পরিষদের পতিত জমি এখন সবজি ও ফুলের বাগান মনোমুগ্ধকর পরিবেশে সফল কৃষি উদ্যোগ। তেরখাদায় নির্বাচন আচরণ বিধি পর্যবেক্ষণ ও ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, প্যানা, ফেস্টুন,ব্যানার ও পোস্টার অপসারণ নওগাঁ ‎মান্দায় উপজেলা চত্বরে রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়ম জনমনে ক্ষোভ। 

যাদের জন্য ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারাই ধাক্কা মারল : রুমিন ফারহানা

  • প্রকাশিত : রবিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৮৯ বার শেয়ার হয়েছে

খুলনার খবর।।বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ১৫ বছরে যা হয় নাই, আজ হয়েছে। অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে।

যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়।রোববার (২৪ আগস্ট) ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ ও ৩ আসনের সীমানা নিয়ে শুনানি শেষে তিনি এমন অভিযোগ করেন।

শুনানিতে সিইসির সামনেই দুপক্ষ মারামারিতে জড়িতে পড়ে।রুমিন ফারহানা বলেন, অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়, হলো এখানে মারামারি হয়েছে। আমি যেহেতু একজন আইনজীবী, আমি মনে করেছি আমার কেস আমি নিজেই প্রেজেন্ট করব। সো আমার কেস আমি প্রেজেন্ট করেছি।

তিনি বলেন, আশা করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সম্মানের দিকে তাকিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যারা আছেন, তারা গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে ঢুকবে না। নির্বাচন কমিশনে আনফরচুনেটলি আমি দেখলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে যিনি প্রার্থী, তিনি সদলবলে ২০-২৫ জন মিলে গুন্ডা-পান্ডার মতন, তারা সেখানে যে আচরণ করেছে, অত্যন্ত দুঃখজনক, অত্যন্ত লজ্জাজনক। আমি মনে করি, এটা কমিশনের যে গাম্ভীর্য এবং যে সম্মান সেটার সঙ্গে এটা যায় না।তিনি এ সময় সাংবাদিকদের বলেন, আমি আপনাদের কিছু ছবি দেখাচ্ছি। তারা এলাকায় বিভিন্ন মানুষকে কীভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে তারা স্বীকারোক্তি আদায় করেছে। সো দিস ইজ নেচার। হ্যাঁ, এখনো ইলেকশন আসে নাই।

একটা সীমানা নির্ধারণ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের যিনি আছেন, তিনি এভাবে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষকে স্বীকারোক্তি নিয়েছেন।তিনি বলেন, আমি কোনো গুন্ডা-বদমাশের মেলা করি নাই। করতে চাইলে করতে পারতাম। গুন্ডা আনতে চাইলে আনা যায়। অসুবিধা হয় না। আমি ভদ্রলোক নিয়ে এসেছি। যেটা রায় হয়, হবে। কিন্তু তারা যেহেতু গুন্ডা-পান্ডা নিয়ে এসেছে এবং আবোল তাবোল কথা বলেই যাচ্ছে বলেই যাচ্ছে, আমি লাস্টে একটা কথা বলার জন্য দাঁড়িয়েছি।

রুমিন ফারহানা বলেন, যা ২৫ বছরে হয়নি, সেটা আজ হয়েছে, অলমোস্ট আমার গায়ে ধাক্কা দিয়ে আমাকে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। যে বিএনপির নেতাকর্মীদের জন্য গত ১৫ বছর লড়াই করলাম, তারা আমাকে এখন ধাক্কা দেয়। তো ঠিক আছে, ধাক্কার বদলে তো ধাক্কা আসবেই, তাই না!বিএনপির এই নেত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে একটা সীমানা নিয়ে যদি এমন আচরণ আমরা দেখি, নিজের দলের মধ্যে, নির্বাচনে কী হবে?

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাঞ্জাবি পড়া একজন ধাক্কা আমাকে দিয়েছে। আমার লোক তো বসে থাকবে না, আমি তো একজন মহিলা। পরে যখন আমার লোকজনকে মারধর করেছে, আমার লোকজন জবাব দিয়েছে, সিম্পল।

সীমানা নিয়ে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, ২০০৮ সালের আগে যে সীমানা ছিল সেখানেই আমাদের এখন ফিরে যাওয়া উচিত। মাঝখানে ১৫ বছর একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ছিল যারা তাদের নিজস্ব ভোট কারচুপির জন্য নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করেছে।তিনি বলেন, সেই সীমানা আমরা মানি না। সেজন্য আমরা বলেছি ২০০৮ সালের আগে যে সীমানা ছিল দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইচ্ছা ছিল সেখানে যাওয়া হোক। আমাদের ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ, বিজয়নগরের ভোটার সংখ্যা বা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের ভোটার সংখ্যা ছয় লাখ ১০ হাজার।তিনি আরও বলেন, আশুগঞ্জে ভোটার সংখ্যা চার লাখ ২০ হাজারের মতো। আর তিনটি ইউনিয়নের ভোটার হলো এক লাখ। এই এক লাখ যদি সরাইলের সঙ্গেও যুক্ত হয়, তারপরে দেখা যাবে যে সদরের সঙ্গে বা বিজয়নগরের সঙ্গে সরাইলে ভোটার পার্থক্য অলমোস্ট দুই লাখ থেকে যায়। সো এত বড় একটা আসন সদর বা বিজয়নগর সেই আসনটা অযৌক্তিক।রুমিন ফারহানা বলেন, সরাইলে যদি তিনটি ইউনিয়ন চলে আসে, তাহলে ভোটার সংখ্যায় ব্যালেন্স তৈরি হয়। এ ছাড়া এই তিন ইউনিয়নে যারা বাস করে বুদন্তি, চাঁদপুরা এবং হরশপুরে; তাদের জমি-জমার বেশিরভাগ কাজ সরাইলের সঙ্গে থাকে। সো তাদের জমি রেজিস্ট্রি থেকে শুরু করে অন্যান্য যে দাপ্তরিক কাজ সেটা সরাইলে গিয়ে করতে হয়। সে কারণে আমি বলেছি এই তিনটা ইউনিয়নকে সরাইলের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়া হোক।

তিনি বলেন, আরেকটি কথা হলো তিনটি ইউনিয়নের লোকজন যদি বিজয়নগরে যায়, তাদের যাতায়াতের সময় লাগে অলমোস্ট দেড় থেকে দুই ঘণ্টা। আর যদি তারা সরাইলে আসে,  সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ মিনিট। তাহলে তাদের কোথায় থাকা উচিত? সরাইলে থাকা উচিত নাকি বিজয়নগরে থাকা উচিত? এই প্রশ্নগুলোই আমি নির্বাচন কমিশনে তুলেছিলাম।

শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

Copyright © 2022 KhulnarKhobor.com মেইল:khulnarkhobor24@gmail.com।জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা আইনে তথ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিবন্ধন আবেদিত।স্মারক নম্বর:-  ০৫.৪৪.৪৭০০.০২২.১৮.২৪২.২২-১২১।এই নিউজ পোর্টালের কোন লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।